গলাচিপায় পরকিয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় হামাল-ভাংচুর

প্রকাশিত: ২:০০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১২, ২০২১

গলাচিপায় পরকিয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় হামাল-ভাংচুর
গলাচিপা সংবাদদাতা ।। পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার ০২ নং গোলখালী ইউনিয়নের নলুয়াবাগীর ০৯ নং ওয়ার্ডের চরবাদুরা গ্রামের মৃত আজীম ঢালীর ছেলে বিএনপি  নেতা মোঃহাবীব ঢালী(৪৮) ও একই গ্রামের মোঃখোরশেদ আলমের মেয়ে মোসাঃময়না বেগম(৩৮) মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান।
গত ০৮/০৮/২০২১ইং তারিখ আনুমানিক রাত্র ১০ঃ৩০ মিনিটের সময় স্বামী পরিত্যক্তা পরকিয়া প্রেমিকা ময়না বেগমের রুমে পরকিয়া প্রেমিক মোঃহাবিব ঢালী তার অনৈতিক কার্যচরিতার্থে প্রবেশ করিলে ময়নার ভাইর ছেলে সেফুদা তাকে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখতে পেয়ে ধরে ফেলেন এবং তার চাচা কালাম হাং কে ডাক চিৎকার দেন।এর মধ্যে পরকীয়া প্রেমিক হাবীব ঢালী সেফুদাকে ধাক্কা দিয়ে সড়িয়ে ময়না বেগমের রুম পালাতে গেলে কালাম হাং হাবিব ঢালী কে ঝাপটে ধরে আশে পাশের লোকজনকে ডাক দিয়ে জড়ো করেন।হাবিব ঢালীর বাড়ির লোকজন খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করার জন্য শত শত লোক এসে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং কালাম হাং এর বাড়ি ঘর ভাংচুর করে তাকে মেরে বেহুশ করে রাস্তায় রেখে যায়।
স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাকে চিকিৎসার জন্য গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ বিষয় আহত কালাম হাং এর স্ত্রী মোসাঃরেহেনা বেগম বাদী হয়ে গলাচিপা উপজেলা কর্মকর্তার বরাবর চারজনকে আসামী করে  একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এ অভিযোগে আসামীরা হলেন ১।হাবীব ঢালী,পিতাঃমৃত আজীম ঢালী২।সাইফুল, পিতাঃমোকছেদ ঢালী,৩।রাসেল ঢালী পিতাঃরাজ্জাক ঢালী৪।রাসেল ঢালী পিতাঃ আনোয়ার ঢালী। ঊভয় সাং নলুয়াবাগী ০৯ নং ওয়ার্ডের।ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে স্থানীয় ০৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃশহিদুল ইসলাম জানান, আমি ঘটনা স্থানে গিয়েছি এবং ঘটনার সত্যতা আমি পেয়েছি।ময়নার ঘর থেকে হাবীব ঢালীর ব্যবহৃত বস্ত্রাদি উদ্ধার করা হয় এবং যা আমার কাছে জমা ছিল।
পরে ময়না আমার কাছে মুচলেকা দিয়ে তা নিয়ে যান।ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে ০৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃমোস্তফা প্যাদা বিষয়টি এড়িয়ে যান।নলুয়াবাগী সাংগঠনিক ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃআলমগীর ঘরামি জানান,হাবিব ঢালী এরকম অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে সে বিএনপি জামায়াতের এজেন্ট এবং আওয়ামী লীগের অনেক নেতারা তাকে পিছন থেকে শেল্টার দেন তা না হলে এত ন্যাক্কার জনক কাজ করার পরও সে কিভাবে বুক ফুলিয়ে রাস্তায় আসে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং যথাযথ বিচারের জোর দাবী জানাই। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী জাহানারা বেগমও।