ঢাকা, শনিবার, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ২৬, ২০২০

বাকেরগঞ্জে ৮ ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগে নওরোজ হীরার বিরুদ্ধে মামলা !!

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক :- বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৬ নং ফরিদপুর ইউনিয়নের আব্দুল খালেক শিকদারের পুত্র নওরোজ হীরার বিরুদ্ধে বন্দর থানার সাহেবের হাটের শেখ সুলতান অাহম্মেদ এর পুত্র শেখ ইমরান হোসেন বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় ধর্ষনের এজাহার দায়ের করেন।

এজাহার সুত্রে, নওরোজ হীরা কাকরধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হওয়ায় প্রভাব বিস্তার করে স্কুলের ছাত্রীদের কে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ছলে-বলে-কৌশলে ভালোভাবে পাস করাইয়া দিবে, কখনো প্রেমের ছলে বিয়ে করে সুখে শান্তিতে ঘর সংসার করবে, কখনো কাউকে সরকারি চাকরি পাইয়ে দিবে, কখনো ভালো পাত্রের সাথে বিয়ে দিয়ে দিবে ইত্যাদি বলিয়া প্রলোভন দেখাইয়া ও বিভিন্ন রকমের ভয়-ভীতি দেখাইয়া এলাকার অসংখ্য যুবতীও অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের কে তার ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করিয়া থাকেন। ধর্ষক হীরা ধর্ষণের পরে উক্ত ঘটনা কারো কাছে কিছু যেনো না বলতে পারে তাদের বিভিন্ন ভাবে জিম্মি করে। হীরা তার নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও ও স্টীল ছবি ধারন করে রাখে। ওই ভিডিও অশ্লীল ছবি দেখিয়ে জিম্মি করে ধর্ষক হীরা বছরের পর বছর তার আপন চাচাতো ভাইয়ের ৪ কন্যাসহ একাধিক মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছে। বিষয়টি এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

গত ১৯ অক্টোবর রাত ৯ টা ৩০ মিনিটে ধর্ষক নওরোজ হীরা তার নিজ বাড়ির পাসের বাড়ির ভাতিজি আবদুল খালেক হাওলাদারের ছোট মেয়ে তিন্নি( ১৬), মুন্নী (২০), নুরু সিকদারের ছোট মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৮) ও শিল্পী বেগম (২২), মোঃ দুলাল হাওলাদারের মেয়ে রিনা (২০), মোঃ মিন্টু সিকদারের মেয়ে কেয়া বেগম(২০), মুক্তা আক্তার (১৮) মোঃ হারুন হাওলাদারের মেয়েকে তার বসত ঘরে ডেকে এনে ধর্ষন করে। এতেই ক্ষান্ত হননি ধর্ষক হীরা তাদেরকে বিভিন্ন সময় নানান কলাকৌশলে ধর্ষণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ধর্ষক হীরা ধর্ষণের ছবি ফেসবুকে ছাড়িয়া দেওয়ার ও অন্যান্য ভাবে ভয়-ভীতি দেখাইয়া তাহাদেরকে তার নিজ বসত ঘরে এনে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করে থাকেন ইতিমধ্য কোন কোন ভিকটিমকে ধর্ষক হীরা তার মোবাইলে ধারণকৃত ধর্ষণের ভিডিও চিত্র তাদের শ্বশুরবাড়ি লোকজনদেরকে দেখাইয়া তাদেরকে ডিভোর্স করিয়ে থাকেন। ডিভোর্সের পরে অনেকে তাদের পরিবারও আত্মীয়স্বজনের কাছে বিষয়টি খুলিয়া বলিলে বাকেরগঞ্জ থানায় এসে শেখ ইমরান হোসেন ২৫/১০/২০২০ তারিখে লিখিতভাবে এই এজাহার করে থাকেন। যাহার স্বারক ১১৫৯/২০।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম জানান, লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সূত্র :- বরিশাল সংবাদ ২৪ 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর
error: Content is protected !!