ঢাকা, শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০

লাগামহীন ভোগান্তির স্থান মীরগঞ্জ খেয়াঘাট ! পর্ব-২

অনলাইন ডেস্ক

প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছে যাত্রী সাধারণ
ফাইজুল মুন্না ॥ দৈনিক আজকের তালাশ পত্রিকার পাতায় “খেয়াঘাটে দীর্ঘদিনের জিম্মিদশা, মীরগঞ্জ খেয়াঘাটে নৈরাজ্য!” শিরোনামে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের ১ম পর্ব প্রকাশিত হলে অনিয়ম, ভোগান্তি, সমস্যা থেকে পরিত্রান পেতে অভিযোগের পাহাড় জমা হতে শুরু করে। দীর্ঘদিনের এই জিম্মিদশা থেকে রক্ষা পেতে ঘাট সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণও করেছেন অসংখ্য ভূক্তভোগী।

জানা গেছে, খেয়াঘাটের এমন দূর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে দখল বাণিজ্যে জড়িত থাকা স্থানীয় প্রভাবশালী মহলটি। দৈনিক আজকের তালাশের ধারাবাহিক এই প্রতিবেদনটি পাঠক সমাজ তথা প্রশাসনের চক্ষু আড়াল করতে পত্রিকা গায়েব করা সহ মিডিয়া পাড়ায় জোড় তদবিরও চলছে বলে নিশ্চিত করছে একটি বিশ্বস্ত সূত্র। ধারাবাহিক এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আজকের ২য় পর্বে রয়েছে যাত্রীদের জিম্মিদশার কিছু তথ্যবহুল অভিযোগের বিস্তারিত।

শত ব্যস্ততায় প্রতিদিন বহু মানুষের ভীরে মুখরিত থাকে মীরগঞ্জ ফেরীঘাট সংলগ্ন খেয়াঘাট। বিভিন্ন কারণে হিজলা-মুলাদির আসা যাওয়ার অনত্যম প্রধান রুট হিসেবে এই পথ ব্যবহার করেই চলাচল করতে হয়। কিন্তু যাত্রীদের অভিযোগের চরম সীমারেখায় অবস্থান করা ইজারাদারদের খামখেয়ালীপনায় হয়রানির পাশাপাশি প্রায়শই শারীরিক নির্যাতন ও লাঞ্চিত হবার ঘটনাও রয়েছে এই ঘাটে। ইজারা নির্ধারিত ঘাটের ট্রলার চলাচল না করলেও অসংখ্য ট্রলার রয়েছে এখানে। সংবাদ অনুসন্ধানে উঠে আসা যাত্রীসাধারণের কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের ভাষ্য পাঠকের সুবিধার্থে তুলে ধরা হলো।

>মটর সাইকেল ভাড়া ৫০ টাকা। সাথে প্রতিজনের ভাড়া দিতে হবে ১০ টাকা করে। এর পরে ঘাটে দীর্ঘসময় অপেক্ষমান থেকে যখন ঘাটের খেয়া না পাওয়া যাবে তখনই আসবে রিজার্ভ পর্ব। আর তার জন্য গুনতে হবে ৩০০-৩৫০ টাকা। >হাতে যদি কোন ব্যাগ থাকে আপনাকে এর জন্য অবশ্যই অতিরিক্ত ভাড়া প্রদান করতে হবে। না হয় বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে >২ টি খেয়া ও ১টি ফেরী দিয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করে দ্বিগুন ভাড়া আদায় করে নিচ্ছে ইজারাদাররা। যাত্রীদের তুলনায় নৌযান অপ্রতুল যা কৃত্রিম সংকটের জন্য দায়ী। >ঘাটের কোথাও নেই কোন ভাড়ার তালিকা ও নির্দিষ্ট সময়সূচি।

>হয়রানি থেকে বাদ পড়েনা মুমূর্ষ রোগী থেকে শুরু করে জরুরী চলাচলের জন্য যাত্রীরা। স্থানীয় যাত্রী সাধারণ থেকে শুরু করে এই ঘাটে পারাপারা হওয়া যাত্রীদের দাবি ঘাট ইজারা দেয়া এবং তা রক্ষণাবেক্ষন দায়িত্ব পালন করছে বরিশাল জেলা পরিষদ। তাই এই অনিয়ম ভোগান্তির সঠিক তদন্ত করে জিম্মিদশা থেকে যাত্রীদের মুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরটি ভূয়সী পদক্ষেপ রাখবে। স্থানীয় বেশ কিছু বিশ্বস্ত সূত্রের দেয়া তথ্য, অভিযোগ ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে রয়েছে এর অন্তরালের খবর। ধারাবাহিক এই প্রতিবেদনের পরবর্তী পর্ব দেখতে চোখ রাখুন আজকের তালাশের পাতায়।


আপনার মন্তব্য

error: Content is protected !!