ঢাকা, শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের নৌকার কান্ডারী হতে চান ছাত্রলীগ নেতা খন্দকার হাফিজ

অনলাইন ডেস্ক

 

তালাশ ডেস্ক ||

বরিশাল সদর উপজেলার ০৯ নং টুঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারে মাঠে নেমে পড়ছে বরিশাল সদর উপজেলা সহ সব কয়টি ইউনিয়ন ও টুঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়ন এর সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচনী মাঠ এখন সরগরম। কেউ কেউ ৬ মাস ১ বছর আগ থেকে পাড়া-মহল্লায় ঘুরে-ঘুরে জনসমর্থন যাচাই করেছেন। এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা একটু বেশিই পরিলক্ষিত হচ্ছে। টুঙ্গীবারিয়া ইউনিয়নের নির্বাচনী সময় ঘনিয়ে আসার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উৎসব মুখরতা। চায়ের টেবিলের আড্ডায় গল্পকথাসহ পথে প্রান্তরে সর্বত্রই ঘুরেফিরে প্রচার হচ্ছে নির্বাচনী আলোচনা।

এই আলোচনায় অনেকের মধ্যে অন্যতম প্রার্থী হতে পারেন টুংঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমানে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার হাফিজ। খন্দকার হাফিজএর নাম সর্বত্র প্রচার করছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। সরোজমিন তদন্তকালে জানা যায় যে খন্দকার হাফিজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সহ সংগঠনের সকল নেতা কর্মীর সাথে ভাল সম্পর্ক গড়ে তোলার কারণে তাকে এবারের নির্বাচনে বেছে নিতে পারেন ইউনিয়ন সহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অপরদিকে বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব বাহাউদ্দিন আহমেদ, গত ১০ বছর ইউনিয়নের দায়িত্ব পালনের সময় সাধারণ মানুষের সাথে তার বাজে আচারন , দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে কোন সম্পর্ক না রাখায় , এবং এলাকায় কোন রকম উন্নায়ন মুলক কাজ না করার কারনে দলীয় লোকজন থেকে শুরু করে সাধারণ জনগন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন ।

নির্বাচনের বিষয়ে খন্দকার হাফিজের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি তিনি বলেন , আমার নেতা আমার রাজনৈতিক অভিবাবক বরিশালের জননন্দিত মেয়র জননেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ভাই যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন, ও যেহেতু আমি বয়সে তরুন আমি এবং তরুন হিসেবে বেশি পরিশ্রম করতে পারবো , আমি সাধারণ মানুষের পাসে বেশি সময় দিতে পরবো, আর আমার নেতা তরুনদের বেশি অগ্রাধিকার যদি দেয়,আর দল আমাকে নৌকার মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি দলীয় নেতা কর্মী ও সাধারণ জনগনকে সাথে নিয়ে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো । তবে আমি এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে সবসময় ছিলাম এবং থাকব ইনশাআল্লাহ ।।

খোজ নিয়ে জানা গেছে তরুন এই ছাত্রলীগ নেতার সামাজিক কর্মকান্ড এবং তৃনমূলের নেতৃবৃন্দের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার কারণে মনোনয়ন দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন বলে অনেকেই ধারণা করেন। তবে বরিশাল সদর উপজেলার সবকটি ইউনিয়নের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা সবাই দক্ষিনাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর আর্শিবাদ চাচ্ছেন সকল প্রার্থী। সেক্ষেত্রে কে মনোনয়ন পাবেন সেটা এখনই বলা কঠিন।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক সিনিয়র নেতা তার ক্ষোভ থেকে বলেন আমরা দলীয় এমন একজন চেয়ারম্যান পেয়েছি যার কথা পরিচয় দিতে আমরা লজ্জা পাই তিনি সালাম দিলে পর্যন্ত সালাম নেয় না ,বরং বিভিন্ন সময় ধর্মীও অনুভূতিতে আঘাত হেনে কথা বলে। এবারে নির্বাচনে আমাদের অভিভাবক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ভাই এবং মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর কাছে এমন লোককে যেন দলীয় মনোনয়ন না দেয় আমার অনুরোধ। আর খন্দকার হাফিজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন ছেলেটা অত্যান্ত ভদ্র ও নম্র আমাদের সবার সাথেই তার ভাল সম্পর্ক তাকে যদি দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় তাহলে দলীয় নেতাকর্মীসহ ইউনিয়নের সকল লোকজন এর তাদের মনের আশা পূরণ হবে। হাফিজের জন্য প্রয়োজনে যদি আমাদের সবাইকে হাসানাত ভাই অথবা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর কাছে অনুরোধের জন্য যেতে হয় তাহলে আমরা সেখানে যেতে প্রস্তুত।

আওয়ামীলীগের একাধিক প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে সরব থাকলেও অনেকটাই নীরব বিএনপি এবং চরমোনাই ইসলামী আন্দোলন। তাদের কোন প্রার্থী এখনও নির্বাচনী প্রচারে নামেনি। সম্প্রতি আওয়ামী লীগে গ্রুপিং-দ্বন্দ্ব না থাকলেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবার শুরু হতে পারে গ্রুপিং।

রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, নীতি -নৈতিকতা, দৃঢ়চেতা, এমনকী ব্যক্তি জীবনের আদর্শের গরিমায় প্রায় সকল শ্রেনি -পেশার মানুষের মনে অনঢ় ঠাই করে নিয়েছেন খন্দকার হাফিজ। সবমিলে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করতে অদম্য ইচ্ছা নিয়ে বসে আছেন ঐক্যবদ্ধ জনতা। এখন শুধু সময়ের পালা। সাধারন জনতা বলেন – এই নেতা মহামারী covid-19 এর সময় ইউনিয়নের সাধারণ ও গরিব কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং গভীর মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রাতের আধারে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। আমরা তার এই মহানুভব কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি যদি আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তাহলে তাকেই বেছে নিব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

টুঙ্গীবারিয়া ইউনিয়ন কে একটি আধুনিক ও মডেল রূপ দেয়ার জন্য তাকেই প্রয়োজন। পাশাপাশি ইউনিয়নের সকল সেবা নিশ্চিত করতে বিরামহীনভাবে কাজ করে চলেছেন তিনি।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের নেয়া উন্নয়নের সকল ছোঁয়া এই ইউনিয়ন বাসিকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলস চেষ্টা করে যাবো আমার অবস্থান থেকে। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা ও ইউনিয়ন কে মাদকমুক্ত রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো, মা ও শিশুর উন্নত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করবো, এবং ইউনিয়ন বাসীর সকল সেবা নিশ্চিত করতে আমি আজীবন কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।


আপনার মন্তব্য

error: Content is protected !!